টিটিবি রিপোর্ট, ঢাকা:
গণপূর্ত অধিদপ্তরের বহুল বিতর্কিত কর্মকর্তা, অর্থের বিনিময়ে ও নানা কূটকৌশলে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী পদে পদোন্নতি বাগিয়ে নেওয়া মো. কায়কোবাদ নতুন অপকৌশলে মত্ত হয়েছেন। পদোন্নতি পাওয়ার পর তাকে চট্টগ্রা বিভাগের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এখন তিনি রাজধানী কেন্দ্রিক দায়িত্ব পেতে নিজ সিন্ডিকেটের কতিপয় সাংবাদিক নামধারীদের নিয়ে প্রোপাগান্ডার ছড়ানোর মিশন হাতে নিয়ে। তার সিন্ডিকেটের সাংবাদিকেরা ইতোমধ্যে অপর অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আশরাফুল আলমের বিরুদ্ধে সংবাদের নামে অপতথ্য প্রচার শুরু করেছে। বিনিময়ে তারা কায়কোবাদের কাছ থেকে পাচ্ছেন মোটা অংকের টাকা।
শুধু নগদ টাকাই নয়, কায়কোবাদ তার সিন্ডিকেটভুক্ত সাংবাদিকদের জন্য আয়োজন করছেন মদ ও জুয়ার আড্ডা, এমনকি নারীসঙ্গও দিচ্ছেন না তাদেরকে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মো. কায়কোবাদের পুরো চাকরি জীবন কেটেছে দুর্নীতি অনিয়ম করেই। ই/এম সার্কেল-১ এর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী থাকাকালে তিনি ব্যাপক বিতর্কিত হন। বিগত স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের আমলে তিনি অন্যতম সুবিধাভোগী। অথচ সরকার পরিবর্তনের পর তিনি পদোন্নতি বাগিয়ে নিতে সক্ষম হন অর্থের বিনিময়ে। তার পদোন্নতির খবরে দেশের বড়োসড়ো গণমাধ্যমগুলো কায়কোবাদের দুর্নীতির তথ্য প্রকাশ পেলেও তিনি অর্থের বিনিময়ে পদোন্নতি বাগিয়ে নেন। তার দুর্নীতির তথ্য সামনে আসার পর পদোন্নতি আটকে যাওয়ার উপক্রম হয়। তখন কতিপয় সাংবাদিক তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলো মিথ্যা দাবি করে পাল্টা সংবাদ প্রকাশ করে তাকে পদোন্নতি পেতে সহযোগিতা করে অর্থের বিনিময়ে। সেই সিন্ডিকেটই এবার তাকে ঢাকার অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী করার মিশন নিয়ে মাঠে নেমেছে।
তারা এখন ঢাকার অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আশরাফুলের বিরুদ্ধে প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছে। বিনিময়ে প্রকৌশলী কায়কোবাদ সেই কথিত সাংবাদিকদের মদ, জুয়া ও নারীসঙ্গের অর্থের যোগান দিচ্ছে।
প্রকৌশলী কায়কোবাদের অপকর্মের বিষয়ে পর্যবেক্ষণ ও অনুসন্ধান চলমান। শিগগিরই আসবে আরো বিস্তারিত প্রতিবেদন…
কায়কোবাদের দুর্নীতির সংক্ষিপ্ত চিত্র :
বহু বছরের অনুসন্ধানে প্রমাণিত কায়কোবাদ ইএম ডিভিশন-৭, সার্কেল-১ ও চট্টগ্রাম সার্কেলে দায়িত্বে থাকাকালে ভুয়া প্রাক্কলনের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করেন। মুজিববর্ষ উদযাপন প্রকল্পে বরাদ্দ ৪০০ কোটির মধ্যে প্রায় ২০০ কোটি টাকা তার নিয়ন্ত্রণে গিয়েছিল। মুগদা মেডিকেল কলেজ, মিরপুর সরকারি আবাসিক ভবনসহ একাধিক প্রকল্পে বিল তোলার পরও কাজ সম্পন্ন হয়নি। তার নামে ও পরিবারের নামে রাজধানী ঢাকা ও শেরপুরে রয়েছে বিপুল পরিমান জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ।





Add comment